আবদুর রহিম: প্রায় ১৪ বছর পর নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে কাউন্সিলের দিনক্ষণও চূড়ান্ত করে ফেলছে দলের নীতিনির্ধারকেরা। কাউন্সিল সফল করতে নানামুখী তৎপরতা শুরু করেছে নেতারা। কাউন্সিলকে ঘিরে একাধিক উপকমিটিও গঠন করা হয়েছে। যেকোন কিছুর বিনিময়ে নিজের মতো করে কাউন্সিল সফল করতে চায় জেলা বিএনপির আহবায়ক গিয়াসউদ্দিন। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ কিংবা প্রশাসন থেকে যেন কোন বাঁধা না আসে সে দিকটা নজরে রেখেছেন কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় শীর্ষ নেতারা। প্রশাসনকে ম্যানেজ করারও চেষ্টা চলছে বলে বিএনপির নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানাগেছে। এজন্য অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলেও গুঞ্জন চলছে। জেলা বিএনপির আহবায়ক গিয়াস উদ্দিন এসব কাজের জন্য দলের একাধিক নেতাকে দায়িত্ব দিয়েছেন বলেও ওই সূত্রের দাবি। গিয়াসের সাথে আওয়ামী লীগের দক্ষিণ অংশের সাথে চমকপ্রদ সম্পর্ক রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। দক্ষিণের প্রভাবশালী নেতা মেয়র আইভী সাথে ঘনিষ্ঠতার বিষয়টি ওপেন সিক্রেট।
বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, ১৭ জুনের জেলা বিএনপির কাউন্সিলে যেকোন কিছুর বিনিময়ে জেলা বিএনপির সভাপতি হতে চায় বর্তমান আহবায়ক কমিটির আহবায়ক গিয়াস উদ্দিন। আর সে কারণে নিজ এলাকায় এই কাউন্সিলের আয়োজন করেছেন। আসন্ন জেলা বিএনপির কাউন্সিলে সভাপতি পদে জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী মনিরুজ্জামান, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ আগ্রহ প্রকাশ করায় গিয়াস উদ্দিন নিজের মতো করে নিজ গন্ডিতে কাউন্সিলের আয়োজন করতে যাচ্ছে। এজন্য তিনি নানামুখী তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় প্রশাসন, সরকার দলীয় প্রভাবশালী নেতাদের ম্যানেজের মধ্যদিয়ে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। জেলা বিএনপির কাউন্সিলে সভাপতির পাশাপাশি সাধারণ সম্পাদক পদ ভাগিয়ে নিতে একাধিক নেতা তৎপর রয়েছে।
সূত্র জানায়, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব খোকন, যুগ্ম আহবায়ক মাশুকুল ইসলাম রাজিব, মোশাররফ হোসেন, জুয়েলের নাম শোনা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হতে কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় নেতাদের সাথে জোরে লবিং অব্যাহত রেখেছে। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে সর্বশেষ জেলা বিএনপির কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। ওই কাউন্সিলে এড.তৈমুর আলম খন্দকারকে সভাপতি, গিয়াস উদ্দিনকে সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং কাজী মনিরুজ্জামানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।
Leave a Reply